নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দােলনে অর্জিত বিজয় হাতছাড়া হয়ে যাবে; যদি এ দেশের ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তি ঐক্যবদ্ধ না হয়। নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা ন্যায় ও ইনসাফভত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। সেই লক্ষ্যেই জামায়াতে ইসলামী কাজ করছে। শুক্রবার নগরীর একটি মিলনায়তনে বাংলাদেশ জায়ামাতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত থানা শূরা সদস্য শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রাজশাহী মহানগরীর আমির ড. মাওলানা কেরামত আলীর সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনটির রাজশাহী অঞ্চলের সহকারী পরিচালক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, টিম সদস্য অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য প্রফেসর আবুল হাশেম।
রাজশাহী মহানগরী জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাহবুবুল আহসান বুলবুলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির রাজশাহী মহানগরীর নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট আবু মোহাম্মদ সেলিম, সহকারী সেক্রেটারি ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের রাজশাহী মহানগর সভাপতি অধ্যাপক আব্দুস সামাদ, শিল্প ও বানিজ্য সেক্রেটারি অধ্যাপক এ কে এম সারওয়ার জাহান প্রিন্স, সাংগঠনিক সেক্রেটারি জসিম উদ্দিন সরকার, অফিস সেক্রেটারি তৌহিদুর রহমান সুইট, প্রশিক্ষণ সেক্রেটারি ও জামায়াত মনোনীত পবা উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফেজ নুরুজ্জামান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ সৃষ্টির পর থেকে এদেশের ৫৪ বছরের ইতিহাস- গণতন্ত্র হত্যার ইতিহাস, অন্যায় জুলুমের ইতিহাস। এদেশের মানুষ আর জুলুমবাজ কোনো সরকার দেখতে চায়না। আর কোনো ডামি নির্বাচন দেখতে চায়না। স্বৈরাচারি শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে কলঙ্কিত করেছে।
এসময় তিনি বলেন, জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দােলনে অর্জিত বিজয় হাতছাড়া হয়ে যাবে; যদি এ দেশের ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তি ঐক্যবদ্ধ না হয়। নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা ন্যায় ও ইনসাফভত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। সেই লক্ষ্যেই জামায়াতে ইসলামী কাজ করছে।
তিনি আরো বলেন, ফিলিস্তিনে অন্যায়ভাবে ইসরায়েল গণহত্যা চালাচ্ছে। অবিলম্বে তা বন্ধ করতে হবে। মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিষফোঁড়া ইসরাইলকে প্রতিরোধ করতে হবে। শান্তিপ্রিয় বিশ্ববাসীকে ইহুদিদের পণ্য বর্জন করতে হবে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এদেশের মাটিতে দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।
একামাতে দ্বীন প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম চলবে।সভাপতির বক্তব্যে ড. মাওলানা কেরামত আলী বলেন, দুর্নীতিমুক্ত, চাঁদাবাজ মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আগামীতে আল্লাহর আইন বাস্তবায়ন করতে হবে। সৎ মানুষের শাসন নিশ্চিত করতে হবে। এদেশের মানুষ শান্তি চায়, এদেশের মানুষ নিজেদের নাগরিক অধিকার চায়। কিন্তু আর কোনো স্বৈরশাসন এদেশের মানুষ দেখতে চায়না।


















