মঙ্গলবার , ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ২৫শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কলাম/মতামত
  6. কৃষি
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. ধর্ম
  10. নামাজের সময়সূচি
  11. নারী ও শিশু
  12. প্রচ্ছদ
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ সংবাদ

রাজশাহীতে প্রকাশ্যে গুলি করে দরপত্র লুটের ঘটনায় মামলা

প্রতিবেদক
editor
ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৫ ৯:৪৬ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীতে প্রকাশ্যে ফাঁকা গুলি করে ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে হাট ইজারার টেন্ডার বাক্সের দরপত্র লুট করার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। দিনের বেলা প্রকাশ্যে ওই ঘটনা ঘটলেও মামলার এজাহারে কোনো আসামির নাম উল্লেখ করা হয়নি।

রাজশাহীর শাহমখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুমা মোস্তারিন গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনার পর রাতে পবা উপজেলা প্রশাসনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেছেন। তবে আসামি হিসেবে কারও নাম নেই। অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে। তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। তবে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হননি বলেও জানান তিনি।

এর আগে সোমবার দুপুরে পবা উপজেলা ইউএনওর কার্যালয়ের নিচতলা থেকে টেন্ডার বাক্স বাইরে নিয়ে ভেঙে ফেলা হয়। এরপর ভেতরে থাকা দরপত্র লুটের ঘটনা ঘটে। ১৪৩২ বঙ্গাব্দের জন্য পবা উপজেলার ১২টি হাট ইজারা দিতে এই টেন্ডার বাক্সে দরপত্র জমা নেওয়া হচ্ছিল।

সূত্র জানায়, ওই ১২টি হাটের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খড়খড়ি হাট। এই হাট প্রতিদিনই বসে। স্থানীয় ঠিকাদারের মোট পাঁচটি গ্রুপ এই হাট ইজারা নিতে চায়। ওই পাঁচটি গ্রুপের মধ্যে আলোচনা ছিল যে তাদের পক্ষ থেকে একটি দরপত্রই জমা দেওয়া হবে। এতে কম টাকায় হাট যেমন ইজারা পাওয়া যাবে, তেমনি সমঝোতা করে সবাই হাটের অংশীদার থাকবেন। কিন্তু স্থানীয় এক যুবদল নেতা এই সমঝোতা মানেননি।

দরপত্র দাখিলের শেষ দিন দুপুরে ওই যুবদল নেতা তার অনুসারীদের নিয়ে টেন্ডার বাক্সে দরপত্র জমা দিতে যান। এসময় তাকে অপর চারটি গ্রুপের লোকজন দরপত্র জমা দিতে বাধা দেন। তার পরও ওই যুবদল নেতা বাক্সে দরপত্র ফেললে টেন্ডার বাক্স ভেঙেই সব দরপত্র লুট করা হয়।

এসময় ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ছুরিকাঘাতে আহত হন এক যুবদল নেতা। এ বিষয়গুলো নিয়ে কোনো পক্ষই গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে চায় না। ওই ঘটনার পর টেন্ডার প্রক্রিয়ায় আপাতত স্থগিত রেখেছে উপজেলা প্রশাসন।

পবার ইউএনও আরাফাত আমান আজিজ গণমাধ্যমকে বলেন, আপাতত নতুন তারিখ দিয়ে পুনরায় দরপত্র জমা নেওয়া হতে পারে। অথবা এ ব্যাপারে আরেকটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নতুনভাবেই ইজারা প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। এ ব্যাপারে কমিটি রয়েছে। এ কমিটিই আলোচনার করে সিদ্ধান্ত নেবে। #

সর্বশেষ - অন্যান্য