অনলাইন ডেস্ক : মার্কিন পপ সম্রাজ্ঞী ব্রিটনি স্পিয়ার্সকে হিসাব করে টাকা খরচ করতে বলেছেন তার ম্যানেজাররা! ভাবা যায়! গায়িকার অযথা খরচ তার দলের সদস্যদের চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। এ কারণে ‘টাকা ফুরিয়ে যাচ্ছে’ বলে খরচ কমানোর জন্য ব্রিটনিকে মিনতি করেছেন তার ম্যানেজাররা। তবে পপ তারকা তাদের কথা শুনতে নারাজ। ব্রিটনি স্পিয়ার্স সম্প্রতি মেক্সিকোতে একটি জমকালো পার্টিতে তার জন্মদিন পালন করেছেন।
সেখানে তিনি হাজার হাজার ডলার খরচ করেছেন বলে জানা যায়। এই অতিরিক্ত খরচ গায়িকার ম্যানেজারদের বিচলিত করেছে। ইন টাচ উইকলি একটি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে, পপ তারকার ম্যানেজাররা টাকা ফুরিয়ে যাওয়ার কারণে তাকে সতর্ক করেছেন। হিসাব কষে টাকা খরচ করতে বলেছেন গায়িকাকে। কিন্তু ব্রিটনির অভিযোগ, ম্যানেজাররা তাকে তার বাবার মতো নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছেন।
৪৩ বছর বয়সী ব্রিটনি ১৩ বছর ধরে একটি সংরক্ষিত পদে ছিলেন। সেখানে তার বাবা অর্থ নিয়ন্ত্রণ করতেন। কিন্তু একটা সময় পর ব্রিটনি এই শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হন। যখন তিনি মুক্ত হয়েছেন, তখন থেকেই অতিরিক্ত খরুচে জীবনযাপন শুরু করেছেন। ইন টাচ উইকলি উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে, ‘তিনি মেক্সিকোতে তার সাম্প্রতিক জন্মদিনের অনুষ্ঠানে সবকিছু ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিয়ে দু’হাত ভরে খরচ করেছেন এবং এটি ছিল চূড়ান্ত রকমের বাড়াবাড়ি।’
সূত্রটি যোগ করেছে, “কেউ তাকে ‘না’ করলে তিনি (ব্রিটনি) তা শুনতে অস্বীকার করেন।” প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘ব্রিটনি যদি কনসার্ট বা অ্যালবাম প্রকাশ করতো তাহলে তার এই ধরনের জীবনযাপন সম্ভব ছিল। কিন্তু সেই দিন শেষ।’ সূত্রটি আরও উল্লেখ করেছে, ‘তার আয়ের একটি মাত্র নতুন উৎস রয়েছে, তা হলো আসন্ন বায়োপিক। যদিও এটি তার জন্য কী পরিমাণ অর্থ বয়ে আনবে সেটি নিশ্চিত নয়। সত্য হলো, তার অর্থ ফুরিয়ে আসছে। কিন্তু তিনি এখনও অস্বাভাবিকভাবে অর্থ ব্যয় করছেন।’
উল্লেখ্য, ব্রিটনি স্পিয়ার্স ৯০-এর দশকের শেষের দিকে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন এবং তাকে ডাকা হতো পপ সম্রাজ্ঞী। কিন্তু অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের কারণে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও ব্যক্তিজীবনে তাকে ভুগতে হয়েছে। ২০১৬ সাল থেকে ব্রিটনি কোনো নতুন অ্যালবাম প্রকাশ করেননি। তার প্রথম স্মৃতিকথা ‘দ্য ওম্যান ইন মি’ প্রকাশিত হয় ২০২৩ সালে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস


















