শনিবার , ৩ আগস্ট ২০২৪ | ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কলাম/মতামত
  6. কৃষি
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. ধর্ম
  10. নামাজের সময়সূচি
  11. নারী ও শিশু
  12. প্রচ্ছদ
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ সংবাদ

গায়ে জাতীয় পতাকা জড়িয়ে রাস্তায় বিএনপি নেতা মিনুর স্ত্রী

প্রতিবেদক
editor
আগস্ট ৩, ২০২৪ ৮:৫৬ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীতে বৃষ্টির মধ্যে জাতীয় পতাকা গায়ে জড়িয়ে রাস্তায় নেমেছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, সাবেক মেয়র ও সাবেক এমপি মিজানুর রহমান মিনুর স্ত্রী অধ্যক্ষ সালমা শাহাদাৎ। মাদারবক্স গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবেও দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। এসময় কিছুসংখ্যক শিক্ষার্থীও তার সঙ্গে ছিলেন। দেশব্যাপী শিক্ষার্থী হতাহতের ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে শনিবার (৩ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে তিনি এ কর্মসূচি পালন করেন।
এর আগে বেলা ১১টার দিকে কোটা আন্দোলন ঘিরে নিহতদের হত্যাকারীদের বিচার এবং আটককৃত শিক্ষার্থীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে ‘মায়েদের আয়োজনে’ রাজশাহী নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে মানববন্ধনের ডাক দেওয়া হয়েছিল। এতে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিনুর সহধর্মিণী অধ্যক্ষ সালমা শাহাদাতের। তবে প্রতিকুল আবহাওয়ার কারণে সেখানে পরিকল্পনামাফিক কর্মসূচি পালন না হলেও তিনি কিছুসংখ্যক শিক্ষার্থীকে সাথে নিয়ে বৃষ্টির মধ্যেই রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী অধ্যক্ষ সালমা শাহাদাৎ গায়ে জাতীয় পতাকা জড়িয়ে এবং হাতে পতাকা নিয়ে বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে কিছুসংখ্যক শিক্ষার্থীকে সাথে নিয়ে মানববন্ধন করতে সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে এলাকায় আসেন। তবে সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তারা সেখান থেকে সালমা শাহাদাতকে সরে যেতে বলেন। এরপর তিনি পাশেই থাকা আরডিএ মার্কেটের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিয়ে সেখান থেকে চলে যান।
অধ্যক্ষ সালমা শাহাদৎ গণমাধ্যমকে বলেন, সারাদেশেই বহু কোমলমতি মেধাবী শিক্ষার্থীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আমারও সন্তান রয়েছে। মূলত আমি মা ও অভিভাবক হিসেবে বিবেকের তাড়নায় রাস্তায় নেমেছি। আর যাতে কোন সন্তানের মায়ের বুক এভাবে খালি না হয় সেই দাবিতেই জিরোপয়েন্টে এসেছিলাম।
তিনি আরো বলেন, ঢাকার গাজীপুরে এক শিক্ষার্থী মারা গেছে। যে, আমার ছেলের বন্ধু। ছেলেটি অত্যন্ত মেধাবী ছিল। সে ড্রোন বানাতো। আরেক ছেলে মুগ্ধ। সেও অনেক সফল ফ্রিল্যান্সার। দুই ছেলের মতো অসংখ্য মেধাবীকে পাখির মতো গুলি করা হয়েছে। যা চরমভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে। তাই শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য সব মায়েদের উচিত রাস্তায় নেমে এর প্রতিবাদ জানানো। তাই আমিও আজ রাস্তায় নেমেছি।

সর্বশেষ - অন্যান্য