শনিবার , ৩০ আগস্ট ২০২৫ | ২৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কলাম/মতামত
  6. কৃষি
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. ধর্ম
  10. নামাজের সময়সূচি
  11. নারী ও শিশু
  12. প্রচ্ছদ
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ সংবাদ

নুরের মাথায় রক্তক্ষরণসহ নাকের হাড় ভেঙেছে, এখনও শঙ্কামুক্ত নয়

প্রতিবেদক
editor
আগস্ট ৩০, ২০২৫ ৩:০৬ অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক : গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার মাথার হাড়, নাক ও ডান পাশের চোয়ালের হাড় ভেঙে গেছে। মাথায় আঘাতের কারণে সামান্য রক্তক্ষরণ হয়েছে এবং এক চোখে মারাত্মক ক্ষতি দেখা দিয়েছে। যদিও তিনি বর্তমানে স্থিতিশীল আছেন, তবে চিকিৎসকেরা তাকে এখনও শঙ্কামুক্ত বলতে পারছেন না।

শনিবার (৩০ আগস্ট) ঢামেকের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. মোস্তাক আহমেদ সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।তিনি জানান, শুক্রবার রাত ১১টা ২০ মিনিটে নুরুল হককে হাসপাতালে আনা হয়। সে সময় তার নাক থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল এবং গজ ব্যান্ডেজ দিয়ে রাখা হয়েছিল। দ্রুত তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়।

ডা. মোস্তাক বলেন, রাতে প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। সকালে মাথার সিটি স্ক্যানের রিপোর্টে দেখা গেছে, তার মাথার হাড় ও চোয়ালের হাড় ভেঙেছে। নাকের হাড়ও ভেঙে গেছে। মাথার ভেতরে সামান্য রক্তক্ষরণ রয়েছে। চোখ-মুখ ফুলে গেছে এবং চোখের ভেতরে রক্ত জমেছে। তবে শরীরের অন্য কোথাও আঘাত পাওয়া যায়নি।

চিকিৎসক আরও জানান, নুরুল হকের অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল থাকলেও তা যেকোনো সময় সংকটাপন্ন হয়ে উঠতে পারে। “আলহামদুলিল্লাহ, তিনি স্ট্যাবল আছেন। কিন্তু মস্তিষ্ক ও চোখে আঘাত থাকায় তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে,” বলেন কর্তব্যরত এক চিকিৎসক।

নুরুল হকের চিকিৎসায় ইতোমধ্যে একটি বিশেষ মেডিকেল বোর্ড গঠন করেছে ঢামেক কর্তৃপক্ষ। বোর্ডে নিউরোসার্জারি, নাক-কান-গলা, চক্ষু, ক্যাজুয়ালটি, ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন ও ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি বিভাগের বিশেষজ্ঞরা যুক্ত হয়েছেন। শনিবার বিকেলে মেডিকেল বোর্ড বৈঠক করে তার চিকিৎসার পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ করবে।

প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে চিকিৎসকেরা মনে করছেন, নুরুল হকের কোনো বড় ধরনের অস্ত্রোপচার আপাতত প্রয়োজন হবে না। তবে তার অবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হবে।

সর্বশেষ - অন্যান্য