শনিবার , ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ | ২৮শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কলাম/মতামত
  6. কৃষি
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. ধর্ম
  10. নামাজের সময়সূচি
  11. নারী ও শিশু
  12. প্রচ্ছদ
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ সংবাদ

বিক্ষোভে ‘হাজারো হত্যার’ পেছনে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জড়িত : খামেনি

প্রতিবেদক
editor
জানুয়ারি ১৭, ২০২৬ ৮:২৩ অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক : ইরানজুড়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভের সময় যে সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, তাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সরাসরি জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‌‌‘‘অপরাধী’’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তিনি। শনিবার ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমের খবরে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেছেন, সাম্প্রতিক ইরানবিরোধী এই ষড়যন্ত্রটি ছিল ভিন্ন। কারণ এতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ব্যক্তিগতভাবে জড়িয়ে পড়েছিলেন। বিদেশি শক্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষ দেশজুড়ে ব্যাপক রক্তপাত ও ধ্বংসযজ্ঞের জন্য দায়ী বলে অভিযোগ করেন খামেনি। তিনি বলেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত শক্তিগুলো ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে। দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ইরানকে নাড়িয়ে দেওয়া এই বিক্ষোভে বিদেশি শক্তিগুলোই ইন্ধন জুগিয়েছে।

দেশজুড়ে চলা অস্থিতিশীলতায় বিদেশি শক্তিগুলোর সংশ্লিষ্টতা নিয়ে ইরানের কর্তৃপক্ষ শুরু থেকেই অভিযোগ করে আসছে। দীর্ঘদিনের ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী বিশেষ করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভ সহিংসতায় উসকানি এবং মাঠপর্যায়ে তৎপরতা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তেহরান।

সতর্ক করে দিয়ে খামেনি বলেছেন, ইরান সীমান্তের বাইরে সংঘাতের বিস্তার ঘটাবে না। তবে যাদের দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে, তারা পরিণতি এড়াতে পারবেন না। তিনি বলেন, ‘‘আমরা দেশকে যুদ্ধে জড়াব না। কিন্তু দেশীয় কিংবা আন্তর্জাতিক অপরাধীদের শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।’’

শনিবার ধর্মীয় এক উৎসবে সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ইরানের সর্বোচ্চ এই নেতা বলেছেন, ‘‘আমরা ইরানি জাতির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ, ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে দায়ী মনে করি।’’

তিনি বলেন, এটি মার্কিন ষড়যন্ত্র। খামেনি বলেন, আমেরিকার লক্ষ্য হলো ইরানকে গ্রাস করা… লক্ষ্য হচ্ছে ইরানকে আবারও মার্কিন সামরিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আধিপত্যের অধীনে নিয়ে যাওয়া।’’

সূত্র: এএফপি।

সর্বশেষ - অন্যান্য

আপনার জন্য নির্বাচিত