বুধবার , ২৮ মে ২০২৫ | ২৩শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কলাম/মতামত
  6. কৃষি
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. ধর্ম
  10. নামাজের সময়সূচি
  11. নারী ও শিশু
  12. প্রচ্ছদ
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ সংবাদ

‘বিচারিক হত্যাকাণ্ডের’ বিচার চাইলেন আজহার

প্রতিবেদক
editor
মে ২৮, ২০২৫ ১২:০৭ অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক : একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের নামে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ‘সাজানো মামলায় বিচারিক সকল হত্যাকাণ্ডে’ জড়িত সকলের বিচার ও শাস্তি দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম।

তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা যেখানে যে পর্যায়ে জড়িত তাদের সবাইকে আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক। তা নাহলে খারাপ সংস্কৃতি চালু থাকবে, এখান থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। বুধবার (২৮ মে) সকালে ১৪ বছর কারাভোগের পর বেরিয়ে এসে শাহবাগ চত্বরে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

এটিএম আজহার বলেন, স্বৈরাচার আওয়ামী সরকার জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতাদের সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে হত্যা করেছে। তাদের সঙ্গে জুডিশিয়াল কিলিং করা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী সাবেক আমির শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, শহীদ আলী আহসান মোহাম্মদ মোজাহিদ, শহীদ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান-আব্দুল কাদের মোল্লাসহ নিরপরাধ নেতৃবৃন্দকে জুডিশিয়াল কিলিংয়ের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। সবচেয়ে দুঃখজনক হলো সর্বশেষ বিশ্ববরেণ্য মোফাস্সেরে কোরআন আল্লামা দেলওয়ার হোসাইন সাঈদীকেও হত্যা করা হয়েছে। আমি তাদের সবাইকে স্মরণ করছি। সেইসঙ্গে এসব হত্যাকাণ্ডে জড়িত সকলের বিচার দাবি করছি।

আজহারুল ইসলাম বলেন, এতদিন ন্যায়বিচার ছিল না, এখন ন্যায় বিচারের মধ্য দিয়ে সব অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। আমাকে মিথ্যা মামলা, মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসির দণ্ড দেওয়া হয়েছিল। শুধু জামায়াতে ইসলামী করার কারণেই আমাকে এই মানবতাবিরোধী মামলার মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়।

এটিএম আজহার আরও বলেন, আমি প্রায় ১৪ বছর কারাগারে থাকার পর আজ সকালে মুক্তি পেলাম। আমি এখন মুক্ত, আমি এখন স্বাধীন। এই স্বাধীন দেশে স্বাধীন নাগরিক এখন।

মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাসের জন্য উচ্চ আদালতকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, তারা (আদালত) ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় একটা অনন্য ভূমিকা পালন করছেন। এতদিন ন্যায়বিচার ছিল না। আদালতকে ব্যবহার করা হয়েছে। আশা করছি, সামনের দিনগুলোতে সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার পাবেন।

এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে খালাস পেয়ে সকাল ৯টা ৫ মিনিটে মুক্তি পান জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তিরত অবস্থায় কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

পরে তাকে হাসপাতাল থেকে একটি কালো রঙের গাড়িতে করে হাসপাতাল থেকে বের করে আনা হয়। এসময় জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানসহ দলটির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সেখান থেকে এটিএম আজহারুল ইসলামকে শাহবাগ চত্বরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জামায়াতের পক্ষ থেকে একটি গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়।

সর্বশেষ - অন্যান্য

আপনার জন্য নির্বাচিত

বাঘায় নবাগত ইউএনও’র সাথে জামায়াত নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়

আমাদের সন্তান সবচেয়ে সৌভাগ্যবান : কিয়ারা

গাজার যুদ্ধে ইসরায়েলের পক্ষে অবস্থান, এজেন্টকে বরখাস্ত করলেন ডুয়া লিপা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে বাঘায় রাজশাহী জেলা জামায়াতের গণমিছিল ও সমাবেশ

সেভিয়াকে হারিয়ে জয়ে ফিরলো বার্সেলোনা

শেখ পরিবারের চার সদস্যের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

চট্টগ্রামের জয়রথ থামিয়ে রংপুরের আটে আট

সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার না রেখেই কূটনীতিকদের ব্রিফ করছে ইসি

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিমুখে মিছিল: শিক্ষা ভবনের সামনে পুলিশ-আদিবাসী শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ

ড. ইউনূসকে ক্লাব দে মাদ্রিদের সদস্য হওয়ার আমন্ত্রণ