সোমবার , ১৯ মে ২০২৫ | ২৫শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কলাম/মতামত
  6. কৃষি
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. ধর্ম
  10. নামাজের সময়সূচি
  11. নারী ও শিশু
  12. প্রচ্ছদ
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ সংবাদ

বাঘায় বাস চাপায় বাবা-মেয়ের পা বিচ্ছিন্ন

প্রতিবেদক
editor
মে ১৯, ২০২৫ ৭:২৮ অপরাহ্ণ

আসলাম আলী বাঘা (রাজশাহী) : রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকায় বাস চাপায় বাবা-মেয়ের পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সোমবার (১৯ মে) সকাল ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন-নাটোরের লালপুর উপজেলার বেরিলাবাড়ী জামতলা গ্রামের প্রবাসী এজাহার আলীর ছেলে শান্ত ইসলাম (২৬), তার স্ত্রী জামিউন বেগম (২৪) এবং মেয়ে তুরায়ফা ইয়াসমিন (৫)।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্মকর্তা (ইএমও) ডা. শংকার কুমার বিশ্বাস জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত শান্তর একটি পা এবং তার মেয়ে তুরাইয়ার একটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।এখানে আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছেন। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে রেফার্ড করেছেন। তাদের অবস্থা আশংকাজনক।
এদিকে আহতদের চিকিৎসার খোঁজ-খবর নিয়ে দ্রুত তাদের সহযোগিতার প্রতিস্রুতি দিয়েছেন বাঘা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাম্মি আক্তার।

বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ ফ ম আছাদুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, মালয়েশিয়া প্রবাসী শান্ত ইসলাম ছুটিতে কিছু দিন আগেই দেশে ফিরেছেন। সকালে শান্ত তার স্ত্রী ও মেয়েকে মোটরসাইকেলে করে নিয়ে স্কুলে যাচ্ছিলেন। তারা মোটরসাইকেল নিয়ে বানিয়াপাড়ায় পৌঁছলে ঢাকাগামী ‘সুপার সনি’ নামের যাত্রীবাহী একটি বাসের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এসময় বাবা-মেয়ে বাসের নিচে চাপা পড়েন। এতে বাবা ও মেয়ের শরীর থেকে পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে শান্তর স্ত্রীও আহত হন।

ওসি বলেন, এ ঘটনার পর বাসচালক ও হেলপার পালিয়েছে। তবে বাসটি জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে।  বাসচালক ও হেলপারকে শনাক্ত এবং আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় মামলা হবে বলেও জানান ওসি।

আহতদের আত্মীয় লাখি খাতুন বলেন, দুর্ঘটনায় শান্ত ইসলাম ও তার শিশু কন্যার ডান পা হাঁটু থেকে বিছিন্ন হয়ে গেছে। শান্ত ইসলাম একজন কম্পিউটার ব্যবসায়ী। তুরায়ফা গ্রীন হ্যাভেন কিন্ডারগার্টেন স্কুলে নার্সারির শিক্ষার্থী। তার স্ত্রীর ডান হাত ও মাজার হাড় ভেঙে গেছে। আহতের নিকট আত্মীয়রা জানান, আহত সামিউন বেগম সাড় ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আহত শান্ত প্রতিদিনের মত মোটরসাইকেল যোগে মেয়েকে নিয়ে বাঘা উপজেলা সদর গ্রীন হ্যাভেন কিন্ডারগার্টেন স্কুলে যাচ্ছিলেন। এদিন তার স্ত্রী জামিউন বেগমকে ডাক্তার দেখানো জন্য সঙ্গে নিয়ে ছিলেন। তারা বানিয়াপাড়া এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা সুপার সনি বাসের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৩ জনই গুরুতর আহত হন। এসময় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি ঘটলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) প্রেরণ করেন।

স্থানীয়রা জানান, দুর্ঘটনাস্থল বানিয়াপাড়ায় আঞ্চলিক সড়কের ধারে আনোয়ার ভান্ডারীর ছেলে মাসুদ রানা ফুয়াদের ইটের স্তূপ রাখায় দুর্ঘটনার প্রধান কারণ। মোটরসাইকেল চালক শান্ত ইসলাম ইটের স্তুুপের কারণে আগত বাসকে দেখতে না পাওয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা সড়কে রাখা ওই ইটের স্তুুপের মালিক মাসুদ রানা ফুয়াদের শাস্তির দাবী জানিয়েছেন।

সর্বশেষ - অন্যান্য