বুধবার , ৩০ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কলাম/মতামত
  6. কৃষি
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. ধর্ম
  10. নামাজের সময়সূচি
  11. নারী ও শিশু
  12. প্রচ্ছদ
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ সংবাদ

গাজায় মানবিক সংকটের কোনও প্রমাণ নেই : ইসরায়েল

প্রতিবেদক
editor
এপ্রিল ৩০, ২০২৫ ১:৩৪ অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক : ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে অবিরাম হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। টানা ১৮ মাস ধরে চালানো এই আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৫২ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি। হামলার পাশাপাশি ইসরায়েল গাজাতে সর্বাত্মক অবরোধও জারি রেখেছে।

এর ফলে গাজায় বহু মানুষ দুর্ভিক্ষের মুখে পড়েছেন। সৃষ্টি হয়েছে মানবিক সংকট। তবে ইসরায়েলের দাবি, গাজায় মানবিক সংকটের কোনও প্রমাণ নেই। যুদ্ধবিরতির সময় ২৫ হাজারের বেশি ত্রাণবাহী ট্রাক গাজায় প্রবেশ করতে দিয়েছে তারা। মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

বার্তাসংস্থাটি বলছে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইসরায়েল দাবি করেছে, গাজা উপত্যকায় কোনও মানবিক সংকট নেই, যদিও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো, জাতিসংঘ এবং স্বাধীন পর্যবেক্ষকদের দেওয়া তথ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র তুলে ধরেছে।

ইসরায়েলের উপ-রাষ্ট্রদূত ব্রেট জনাথন মিলার মঙ্গলবার জোর দিয়ে বলেন, “আমাদের মূল্যায়নে দেখা যাচ্ছে, গাজায় এই মুহূর্তে কোনও মানবিক সংকট নেই”। তিনি জাতিসংঘে বলেন, ইসরায়েল গত যুদ্ধবিরতির সময় ২৫ হাজারের বেশি ত্রাণবাহী ট্রাক গাজায় প্রবেশ করতে দিয়েছে, যাতে খাদ্য, জ্বালানি এবং ওষুধ ছিল।

তবে বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। গত ২ মার্চ থেকে ইসরায়েল গাজার সব সীমান্ত বন্ধ রেখেছে, ফলে খাদ্য, ওষুধ ও মানবিক সহায়তা প্রবেশ বন্ধ রয়েছে। জাতিসংঘ, মানবাধিকার সংস্থা ও স্বতন্ত্র রিপোর্ট বলছে, এতে করে গাজার মানুষ ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।

জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের দূত বলেন, “গাজায় বোমার কোনও ঘাটতি নেই। কিন্তু খাদ্য, পানি, ওষুধ—সব কিছুর সংকট তৈরি করা হয়েছে ইচ্ছাকৃতভাবে। যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করা হচ্ছে।”

এর আগে গত ১৮ মার্চ ইসরায়েল আবার গাজায় আক্রমণ শুরু করে। আর এই হামলা চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তি ভেঙে দেয়। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৫২ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

প্রসঙ্গত, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট-এর বিরুদ্ধে গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গত বছরের নভেম্বরেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলাও চলছে।

সর্বশেষ - অন্যান্য

আপনার জন্য নির্বাচিত

জামায়াত আমিরের সঙ্গে রুশ রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ভারতের মিডিয়া ‘সার্কাস’ দেখাচ্ছে- বললেন সোনাক্ষী

১৮ বছরেও চেহারায় যেন পরিবর্তন নেই, রহস্য ফাঁস কারিনার

শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি জানান দেয় যে লক্ষণ

ক্ষতিগ্রস্ত প্রথম আলো-ডেইলি স্টার কার্যালয় পরিদর্শনে শ্রম উপদেষ্টা

ভারত-পাকিস্তান ৮৭ ঘণ্টার যুদ্ধ, প্রতি ঘণ্টায় ক্ষতি ১০০ কোটি ডলার

সিরাজগঞ্জে ট্রাক উল্টে ৩ ঘণ্টা যানজট

রাকসু নির্বাচন প্রথমবর্ষের শিক্ষার্থীদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির দাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

জাপানে খাদ্য রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হবে : খাদ্যমন্ত্রী আমিন উর রশিদ

ইউক্রেন যুদ্ধে আমরা রাশিয়াকে হারতে দেবো না: চীন