অনলাইন ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের উন্নয়ন সংস্থা ইউএসএইড বন্ধ করার পদক্ষেপ নিয়েছেন। এর পক্ষে তিনি যুক্তি দিয়েছেন যে এর ব্যয় সম্পূর্ণরূপে ব্যাখ্যাতীত। ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্তে বিশ্বের ৫০টি দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। ডব্লিউএইচও প্রধান ড. টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসাস জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক বিলিয়ন ডলারের বিদেশী সাহায্য স্থগিত করার ফলে এইচআইভি, পোলিও, এমপিওক্স এবং বার্ড ফ্লু মোকাবেলার কর্মসূচিগুলো ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়েছে।
তিনি ট্রাম্প প্রশাসনকে অন্যান্য সমাধান না পাওয়া পর্যন্ত সাহায্য তহবিল পুনরায় চালু করার বিষয়ে বিবেচনা করার আহ্বান জানান। বুধবার এক ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, ৫০টি দেশে এইচআইভি চিকিৎসা এবং অন্যান্য পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে।জেনেভায় এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন সাহায্য তহবিল স্থগিত করার বিষয়ে প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ড. টেড্রোস বলেন, ‘মার্কিন সরকার এমন কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছে যা বিশ্ব স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।’
ড. টেড্রোস বলেন, ‘ক্লিনিকগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।’ বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা করোনাভাইরাসের বিস্তারের পাশাপাশি ভ্যাকসিন ও নতুন চিকিৎসার উন্নয়নে বিলম্বের বিষয়ে সতর্ক করেছেন।এর আগে, ট্রাম্প ইউএসএইড সম্পর্কে যুক্তি দেন যে এটি ‘অযোগ্য ও দুর্নীতিগ্রস্ত।’ তিনি সংস্থার ১০ হাজার কর্মীকে ছাঁটাই এবং এর প্রায় সমস্ত সাহায্য কর্মসূচি তাৎক্ষণিকভাবে স্থগিত করারও ঘোষণা দেন।
হোয়াইট হাউসের ফেডারেল সরকারের আকার সঙ্কুচিত করার প্রচেষ্টায় কাজ করা ধনকুবের ইলন মাস্ক দাবি করেন যে এ সাহায্য সংস্থাটি ‘একটি অপরাধমূলক সংগঠন।’ তবে ট্রাম্প বা মাস্ক কেউই তাদের দাবির সমর্থনে স্পষ্ট প্রমাণ সরবরাহ করেননি।
সূত্র : বিবিসি


















