রবিবার , ২৬ মে ২০২৪ | ২৬শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কলাম/মতামত
  6. কৃষি
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. ধর্ম
  10. নামাজের সময়সূচি
  11. নারী ও শিশু
  12. প্রচ্ছদ
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ সংবাদ

মহাবিপদ সংকেতেও আশ্রয়কেন্দ্রে যাচ্ছেন না উপকূলবাসী

প্রতিবেদক
editor
মে ২৬, ২০২৪ ৩:৩৩ অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক: উপকূলের কাছাকাছি চলে এসেছে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’। রোববার (২৬ মে) সকাল থেকেই ক্ষণে ক্ষণে কালো মেঘে ঢেকে যাচ্ছে বাগেরহাটের আকাশ। ১০নং মহাবিপদ সংকেত জারি রেখেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মহাবিপদ সংকেত পেয়েও আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে যাচ্ছে না উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দারা।

রোববার দুপুর ১টায় শরণখোলা উপজেলার বলেশ্বর নদীর রায়েন্দা বেরিবাঁধ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, মাইকিং করে উপকূলবাসীকে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করছেন স্বেচ্ছাসেবকরা। তবে দুপুর গড়ালেও নিজ বাড়ি ছেড়ে আশ্রয় কেন্দ্রে যাচ্ছে না স্থানীয় বাসিন্দারা।

বলেশ্বর নদীর রায়েন্দা বেড়িবাঁধ এলাকার বাসিন্দা সেতারা বেগম বলেন, এ ধরনের ঝড়ের বিপদ সংকেত মাঝেমধ্যেই আসে তাই এখন আর তেমন ভয় লাগে না। সবকিছু গুছিয়ে রেখেছি যদি ঝড় আসে তখন আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাব। জাহানারা বেগম নামে আরেকজন বলেন, ১০নং মহাবিপদ সংকেতের জন্য এখানে মাইকিং করে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বলেছে। শুনেছি ঘূর্ণিঝড়টি রাতে আসবে তাই এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে যাইনি। বিকেলের দিক যদি ঝড় বেশি দেখি তাহলে আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাব।

রায়েন্দা ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং ওয়ার্ড সদস্য জালাল উদ্দিন রুমি বলেন, সংকেত পাওয়া মাত্র এলাকায় মাইকিং করে সবাইকে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি সম্ভবত সন্ধ্যার দিকে আঘাত হানবে এজন্য এলাকাবাসী একটু দেরি করে আশ্রয় কেন্দ্রে যাচ্ছেন। ঝড় শুরু হলে ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় আমরা স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোয় অবস্থান করব।

রায়েন্দা ফেরিঘাট এলাকায় অনিল নামের যুবককে আশ্রয়কেন্দ্রে যাচ্ছেন না কেন জিজ্ঞেস করা হলে তিনি জবাবে বলেন, ‘বহুত চুবানি খাইছি এমন এখন অভ্যাস হয়ে গেছে।’ শরণখোলার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রায়হান উদ্দিন শান্ত বলেন, যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে আমাদের উপজেলাটি সব থেকে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। প্রায় প্রতিটা ঘূর্ণিঝড়েই এখানকার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন। ঘূর্ণিঝড় রেমালে যাতে ক্ষয়ক্ষতি কম হয় সে লক্ষ্যে আমরা প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।

উপজেলায় মোট ৯০টি আশ্রয়কেন্দ্র পরিষ্কার করা হয়েছে। সকলে যাতে আশ্রয়কেন্দ্রে আসে সেজন্য মাইকিং করা হচ্ছে। শুকনো খাবার, ওষুধ ও খাবার পানি মজুদ রাখা হয়েছে। আশা করি বিকেলের মধ্যে সবাইকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিতে পারব।বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাঃ খালিদ হোসেন বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবেলায় জেলায় মোট ৩৫৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি সন্ধ্যা নাগাদ বাগেরহাট উপকূলে আঘাত হানতে পারে। সবাই যেন আশ্রয়কেন্দ্রে যায় সেজন্য মাইকিং করা হচ্ছে।

সর্বশেষ - অন্যান্য