বৃহস্পতিবার , ১১ জুলাই ২০২৪ | ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কলাম/মতামত
  6. কৃষি
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. ধর্ম
  10. নামাজের সময়সূচি
  11. নারী ও শিশু
  12. প্রচ্ছদ
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ সংবাদ

আ’লীগ নেতা বাবুল হত্যা : রিমাণ্ড শেষে কারাগারে আক্কাছ

প্রতিবেদক
editor
জুলাই ১১, ২০২৪ ৮:২০ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীর বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাঘা পৌরসভার মেয়র আক্কাছ আলীকে তিন দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) বিকেলে আদালতের আদেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বাঘা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সোয়েব খান গণমাধ্যমকে জানান, আক্কাছকে ৫ জুলাই রাজধানী ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরদিন রাজশাহীতে আনার পর পাঁচ দিনের রিমাণ্ড আবেদন করে তাকে আদালতের আদেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। এরপর ৮ জুলাই শুনানি শেষে রাজশাহীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এর বিচারক হাদিউজ্জামান আসামি আক্কাছকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর আসামিকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার তাকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে কী তথ্য পাওয়া গেছে সে সম্পর্কে কোনো তথ্য জানাননি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।
এর আগে গত ২২ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাঘা উপজেলা সদরে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টার ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৫০ জন নেতাকর্মী ও পথচারী আহত হন। তাদের মধ্যে উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুলের অবস্থা ছিল আশংকাজনক। তাকে ওইদিনই রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। এরপর ২৬ জুন বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
২২ জুনের সংঘর্ষের ঘটনায় সেদিন দিবাগত রাতেই থানায় মামলা করেন বাঘা উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি শাহীনুর রহমান পিন্টু। এ মামলায় বাঘা পৌরসভার মেয়র আক্কাছ আলীসহ ৪৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ২০০ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় এ পর্যন্ত প্রধান আসামি বাঘা পৌর মেয়র আক্কাছ আলীসহ মোট ১১ জন গ্রেফতার হয়েছে।
অপরদিকে এ ঘটনায় আবুল কালাম নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে পাল্টা আরেকটি মামলার আবেদন করেন রাজশাহীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১ আদালতে। পরে আদালতের বিচারক মামলার আবেদনটি গ্রহণ করে তা এজাহার হিসেবে রেকর্ড করার জন্য বাঘা থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। মামলায় আসামি হিসেবে বাঘা উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি শাহিনুর রহমানসহ ৩২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে আরো ১০০ থেকে ১৫০ জনকে।

সর্বশেষ - অন্যান্য