বৃহস্পতিবার , ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২৫শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কলাম/মতামত
  6. কৃষি
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. ধর্ম
  10. নামাজের সময়সূচি
  11. নারী ও শিশু
  12. প্রচ্ছদ
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ সংবাদ

রাশিয়ার পক্ষে লড়ছে প্রায় ২ হাজার আফ্রিকান সেনা : ইউক্রেন

প্রতিবেদক
editor
ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ ১১:১২ পূর্বাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক : রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ বাহিনীর পক্ষে লড়াই করছে ১ হাজার ৭৫০ জনেরও বেশি সেনা। গতকাল বুধবার রাজধানী কিয়েভে ঘানার পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্যামুয়েল ওকুদজেতো আবলাকাওয়ার সঙ্গে বৈঠক শেষে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি করেছেন ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সাইবিহা।

সংবাদ সম্মেলনে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা পরিষ্কারভাবে দেখতে পাচ্ছি যে বিভিন্ন প্রতারণাপূর্ণ কৌশলের মাধ্যমে এই যুদ্ধে আফ্রিকার নাগরিকদের টেনে আনছে রাশিয়া। আমাদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের ১ হাজার ৭৮০ জনেরও বেশি নাগরিক রুশ বাহিনীর পক্ষে লড়াই করছে।”

আফ্রিকা মহাদেশের ৩৬টি দেশ থেকে এই সেনাদের আনা হয়েছে— উল্লেখ করে সাইবিহা বলেন, চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে দরিদ্র আফ্রিকান যুবকদের প্রথমে রাশিয়া আনা হচ্ছে এবং তারপর সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বেশ কয়েকটি এমন ঘটনা ঘটেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

এদিকে সংবাদ সম্মেলনে সাইবিহার দাবিকে সমর্থন করে ঘানার পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্যামুয়েল ওকুদজেতো আবলাকাওয়া জানান, রুশ বাহিনীতে যেসব আফ্রিকান সেনা লড়াই করছেন— সৈনিক কিংবা যোদ্ধা হিসেবে তাদের কোনো অতীত অভিজ্ঞতা নেই। ডার্ক ওয়েবে সাধারণ চাকরির প্রলোভন ও প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের রাশিয়ায় নেওয়া হয়েছে এবং পরে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়েছে।

“(রুশ বাহিনীতে কর্মরত) এই আফ্রিকান সেনাদের অধিকাংশেরই এর আগে কোনো ধরনের নিরাপত্তা বাহিনী কিংবা সেনাবাহিনীতে কাজ করার অতীত অভিজ্ঞতা নেই। তাদের কোনো অতীত প্রশিক্ষণও নেই। তারা লোভে পড়ে, প্রতারণার শিকার হয় এবং শেষে তাদের সেনাবাহিনীতে নেওয়া হয়”, সংবাদ সম্মেলনে বলেন আবলাকাওয়া। আফ্রিকার তরুণ-যুবকদের রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে যোগ দেওয়া থেকে বিরত রাখতে ঘানা এবং আফ্রিকার দেশগুলোর জোট আফ্রিকান ইউনিয়ন কাজ করবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিন ঘানার পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে রুশ ভূখণ্ড হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা রক্ষা না করা এবং ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য কিয়েভের তদবিরের জেরে কয়েক বছর ধরে টানাপোড়েন চলার পর ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রুশ বাহিনী। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের নির্দেশে শুরু হওয়া সেই অভিযান এখনও চলছে।

সূত্র : রয়টার্স

সর্বশেষ - অন্যান্য

আপনার জন্য নির্বাচিত

সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনে তরুণী ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩

ইরানে ইসরায়েলি আগ্রাসনের নিন্দা জানালেন আরব পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জাতীয় ঐক্যজোটের ৯ প্রস্তাব

রাকসু মনোনয়নপত্র বিতরণের সময় বাড়ালো নির্বাচন কমিশন : প্রতিবাদে বিক্ষোভ

বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী জাহাঙ্গীরকে অবসরে পাঠানোর আদেশ স্থগিত আদালতে

বাংলাদেশের পরবর্তী টেস্ট অধিনায়ক হওয়া প্রসঙ্গে যা বললেন তাইজুল

রাবি প্রশাসনের উদ্যোগে প্রথমবার একুশে বইমেলা

ইউক্রেন যুদ্ধে আমরা রাশিয়াকে হারতে দেবো না: চীন

ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি আশফাক কারামুক্ত

মানিকগঞ্জে দুই বিদ্যালয়ের মধ্যদিয়ে প্রাচীর নির্মাণ, এলাকা জুড়ে অসন্তোষ