শুক্রবার , ৫ ডিসেম্বর ২০২৫ | ২১শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কলাম/মতামত
  6. কৃষি
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. ধর্ম
  10. নামাজের সময়সূচি
  11. নারী ও শিশু
  12. প্রচ্ছদ
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ সংবাদ

নদীর উপর নির্মিত প্রকল্প পরিবেশগত ক্ষতি ডেকে আনছে : উপদেষ্টা রিজওয়ানা

প্রতিবেদক
editor
ডিসেম্বর ৫, ২০২৫ ৯:৫৮ অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, সব দেশেই নীতি, আইন ও বন্যা ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান থাকলেও বাস্তবায়নের ঘাটতি বড় বাধা হয়ে আছে। কয়েক দশক আগে গড়ে ওঠা বাঁধ ও নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামোর কারণে নদী ব্যবস্থায় অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। নদীকে জীবন্ত সিস্টেম হিসেবে বিবেচনা না করে নির্মিত অনেক প্রকল্প পরিবেশগত ক্ষতি ডেকে আনছে। এগুলো পুনর্বিবেচনা জরুরি।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত ‘হিন্দুকুশ হিমালয়ায় পানি ও জলবায়ু সহনশীলতা’ সংক্রান্ত সাব-রিজিওনাল কর্মশালায় ঢাকা থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি দক্ষিণ এশিয়ায় পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে পানি ন্যায্যতা, নদীর অধিকার, দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবিলা এবং হিমালয় ঘিরে থাকা দেশগুলোর মধ্যে সমান সুফল বণ্টনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান বলেন, পানি যুগ যুগ ধরে ইতিহাসে দেশগুলোর সম্পর্ক যুক্ত করেছে, কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে কম ব্যবস্থাপিত যৌথ সম্পদ হিসেবে রয়ে গেছে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে জাতিসংঘের পানি কনভেনশন–এ যুক্ত হয়েছে এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ডাটা বিনিময় ও আন্তঃসীমান্ত নদীর ন্যায্য বণ্টন বিষয়ে সক্রিয় সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত।

তিনি বলেন, ‘এই কনভেনশন আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে পারে এবং জলবায়ু পরিবর্তনে বাড়তে থাকা পানি সম্পদ সংকট মোকাবিলায় পানির ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে সক্ষম। উজান-ভাটির পারস্পরিক নির্ভরশীলতা এখন আরও স্পষ্ট।’

তিনি আরো বলেন, ‘নেপাল, ভুটান বা ভারতের নদীগুলোর ওপর যা ঘটে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে বাংলাদেশে, কারণ আমাদের ৯০ শতাংশ নদী উজান থেকে নেমে আসে। বন্যা, খরা, পলি জমা, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, ঘূর্ণিঝড় বা নদীভাঙন– এসবই এখন আঞ্চলিক সমস্যা, যা আন্তঃসীমান্ত জলপ্রবাহের প্রভাবে সৃষ্টি হয়।’

তিনি জানান, শিল্প বর্জ্য, অবৈধ দখল, খনন ও পরিকল্পনাহীন উন্নয়ন কার্যক্রম নদী ব্যবস্থাকে হুমকিতে ফেলছে। বাংলাদেশে নদী পুনরুদ্ধারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি নেপালের উদ্যোগকেও প্রশংসা করেন।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, নদী জীবন্ত সত্তা এবং তার অধিকার রক্ষায় রাষ্ট্রের দায়িত্ব রয়েছে।

‘আমাদের নদীগুলো শুধু সেচ, নৌপরিবহন বা বিদ্যুৎ উৎপাদনের উৎস নয়– এগুলো জীবন ও প্রাণবৈচিত্র্যের ধারক। বাংলাদেশ ও ভারতের আদালতের কয়েকটি রায়ের মাধ্যমে নদীকে জীবন্ত সত্তা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এ স্বীকৃতির বাস্তবায়নে সরকারি সংস্থাগুলোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, আঞ্চলিক জলবিদ্যুৎ বাণিজ্য নতুন সহযোগিতা সৃষ্টির সুযোগ তৈরি করবে। বাংলাদেশ–নেপালের সাম্প্রতিক জলবিদ্যুৎ চুক্তির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আস্থা ও পরিবেশগত দায়িত্বশীলতার ভিত্তিতে এ সহযোগিতা এগিয়ে নিতে হবে। ‘উজানে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বৈশ্বিক উষ্ণতা কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে, যদি আমরা সন্দেহ নয় বরং আস্থার ভিত্তিতে যৌথ কাঠামো গড়ে তুলি।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন– ভারতের পশ্চিমবঙ্গ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের চেয়ারম্যান ড. কল্যাণ রুদ্র, ড. দেবোলিনা কুণ্ডু, অরবিন্দ কুমার; নেপালের সঞ্জীব বরাল; ভুটানের পেমা থিনলে; বাংলাদেশের ড. মো. আবদুল হোসেন এবং ইউথনেট গ্লোবালের নির্বাহী সমন্বয়কারী সোহানুর রহমান ।

সর্বশেষ - অন্যান্য

আপনার জন্য নির্বাচিত

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর থেকে কী পেল বাংলাদেশ?

সাবেক আইজিপি ও গোয়েন্দা প্রধানের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন বিএনপির

এক ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধান না থাকার পক্ষে নয় বিএনপি

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ, ফ্যামিলি কার্ড, সহজ শর্তে কৃষি ঋণ ও কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের

তিন বছর ধরে কারো সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হননি উরফি!

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আবারও আলোচনায় বসবে ঐকমত্য কমিশন

পেছালো রাকসু নির্বাচন: নতুন তারিখ ২৮ সেপ্টেম্বর

বৃহস্পতিবার ঢাকা আসছেন পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী

১৫ বছরের সবচেয়ে দীর্ঘতম হিন্দি সিনেমা হচ্ছে ‘পুষ্পা টু’

নিজেকে রাজনীতিমুক্ত ঘোষণা দেয়া ছাত্রী পেলেন রাবি ছাত্রদলের বড় পদ