বুধবার , ৮ অক্টোবর ২০২৫ | ২৫শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কলাম/মতামত
  6. কৃষি
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. ধর্ম
  10. নামাজের সময়সূচি
  11. নারী ও শিশু
  12. প্রচ্ছদ
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ সংবাদ

জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিয়েই পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হতে হবে: আকন্দ

প্রতিবেদক
editor
অক্টোবর ৮, ২০২৫ ১১:৩২ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ বলেছেন, নির্বাচন ফেব্রুয়ারি মাসেই হতে হবে। তবে সেটা জুলাই সনদের আইনি ভিত্তির মধ্যে দিয়ে পিআর পদ্ধতিতেই হতে হবে। সকল ভােটারের মূল্যায়নে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই।

এই পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে মনোনয়ন বাণিজ্য, রাজনীতিতে পেশীশক্তির ব্যবহার, রাজনৈতিক দৃর্বৃত্তায়ন, এবং কালো টাকার প্রভাব কমে যাবে। এছাড়া এ পদ্ধতিতে প্রত্যেক ভোটারের ভোটের প্রতিফলন সংসদে সঠিকভাবে ঘটবে। বুধবার বিকেলে রাজশাহী জেলা পরিষদ মিলানায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর উদ্যোগে ‘আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বমূলক (পিআর) নির্বাচন ব্যবস্থা: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এতে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রাজশাহী মহানগরী আমির ড. মাওলানা কেরামত আলী। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক ডা. নাজিব ওয়াদুদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর সেক্রেটারি মু ইমাজ উদ্দিন মন্ডল।

রাজশাহী মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মো. শাহাদৎ হোসাইন ও অধ্যক্ষ মাহবুবুল আহসান বুলবুলের যৌথ সঞ্চালনায় অন্যান্যদের বক্তব্য রাখেন রাজশাহী মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট আবু মো. সেলিম, রাবি প্রফেসর মো: শরিফুল ইসলাম, রাজশাহী-২ সদর আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ডা. মোহাম্মাদ জাহাঙ্গীর, রাজশাহী মহানগরী জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন সরকার, রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

এতে বিভিন্ন স্তরের পেশাজীবী ও বুদ্ধিজীবীরা অংশ নেন। গণভোট সম্পর্কে মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, জুলাই সনদের গণভোট নভেম্বর ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে। যারা বলে পিআর বুঝি না তাদেরকে বলবো আপনাদের নেতারা তো ওখানেই আছে, সেই দেশে পিআর আছে আপনারা জেনে নিবেন। আমাদের পাঁচ দফা আন্দোলনের অন্যতম হলো পিআর। এক সময় পিআর বিরোধীরা পিআরের জন্য আন্দোলন করবে কেয়ারটেকার সরকারের মতো বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বক্তারা বলেন, জাতীয়ভাবে যদি কোনো দল ২০-২৫ শতাংশ ভোট পায়, কিন্তু তাদের সাংগঠনিক দুর্বলতা, বিত্তবৈভবের অভাব বা একক আসনে জেতার সক্ষমতা না থাকায় তারা একটি আসনও না পায়, তাহলে সেটি একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় অস্বাভাবিক বলেই বিবেচিত হয়। পিআর পদ্ধতিতে এই সমস্যাগুলোর অনেকটাই সমাধান হতে পারে। এখানে প্রতিটি দলের প্রাপ্ত ভোটের হার অনুসারে সংসদে আসন বরাদ্দ হয়। ফলে ছোট দল, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, নারী, ধর্মীয় সংখ্যালঘু, এমনকি নতুন রাজনৈতিক দলও সংসদে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ পায়।

আলোচনায় উঠে আসে বর্তমানে প্রচলিত ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট পদ্ধতির নির্বাচনে যিনি শুধু সবচেয়ে বেশি ভোট পান, তিনিই জয়ী হন। যদি একটি নির্বাচনী এলাকায় কোনো প্রার্থী ৩৫ শতাংশ ভোট পান এবং বাকি ৬৫ ভাগ ভোট অন্যদের মধ্যে বিভক্ত থাকে, তবু তিনিই নির্বাচিত হন। এর মানে হচ্ছে, ৬৫ শতাংশ ভোটারের মতামত মূল্যায়িত হলো না। সে কারণে বিজয়ী দলের বা প্রার্থীর কাছে এই বিপুল সংখ্যক ভোটারের কোনো গুরুত্ব থাকে না।

সর্বশেষ - অন্যান্য

আপনার জন্য নির্বাচিত

পিসিওস মোকাবিলায় যেসব মসলা উপকারী

ছাত্র আন্দোলনে রাজশাহীতে নিহত দুই শিক্ষার্থীর পরিবারের খোঁজ নিলেন ডিসি

মা হওয়া অপরাধ! সঞ্চালিকা মিনিকে ইন্ডিয়ান আইডল থেকে ছাঁটাই

জুলাই অভ্যুত্থানের তরুণদের স্পিরিট কাজে লাগিয়ে দেশ গড়তে হবে : শারমীন এস মুরশিদ

সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে মৌলিক সংস্কারের প্রস্তাব করেছে জামায়াত

রাবির আবাসিক হলগুলোতে ছাত্রদলের আম বিতরণ

রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতির পশ্চিমা আহ্বান একেবারে মিথ্যা : পুতিন

রাজশাহীর অপসারিত মেয়র লিটনের পিএ টিটু গ্রেফতার

ফোনে দুই হাজার নম্বর, মৃতুর আগে কাউকে পাননি হুমায়রা

ব্যর্থতার দায়ে ফারুককে অপসারণ: আসিফ মাহমুদ