সোমবার , ১৭ জুন ২০২৪ | ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কলাম/মতামত
  6. কৃষি
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. ধর্ম
  10. নামাজের সময়সূচি
  11. নারী ও শিশু
  12. প্রচ্ছদ
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ সংবাদ

রাজশাহীতে ঈদ জামাতে মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা

প্রতিবেদক
editor
জুন ১৭, ২০২৪ ৭:৫০ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীতে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে সোমবার (১৭ জুন) হজরত শাহ মখদুম (রহ:) কেন্দ্রীয় ঈদগাহে। সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত বিশাল এই ঈদ জামাতে ইমামতি করেন নগরীর হেতেমখাঁ বড় মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা ইয়াকুব আলী। তাকে সহযোগিতা করেন শাহ মখদুম কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ। রাজশাহীর হজরত শাহ মখদুম কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাতে দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ-শান্তি, অগ্রগতি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
এসময় দেশ ও জাতির স্বার্থে সবার মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি রক্ষার ডাক দেওয়া হয়। আহ্বান জানানো হয় সন্ত্রাসবাদ পরিহারের। এছাড়া যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনের মুসলমানদের মুক্তি ও শান্তির জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়।
এখানে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর ও জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদসহ বিভিন্ন সরকারি দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাসহ মুসল্লিরা ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন।
নামাজ শেষে বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর ও জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ উপস্থিত রাজনৈতিক নেতা এবং মুসল্লিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এছাড়া ঈদ জামাতে আসা মুসল্লিরাও কোলাকুলি করেন। তারা পরস্পরের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন।
রাজশাহী সিটি সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন সোমবার সকাল ৭টায় রাজশাহী নগরীর কাদিরগঞ্জে হাজি লাল মোহাম্মদ ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন। ঈদের নামাজ শেষে এখানেও রাজশাহীসহ দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে দোয়া করা হয়। ঈদের নামাজের পর মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মেয়র লিটন।
এদিকে ঈদের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনায় সাধ্যমতো পশু কোরবানি করেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।
এর আগে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর দরবারে চির বিদায় নেওয়া বাবা-মা ও স্বজনদের রুহের মাগফিরাত কামনায় নগরী ও জেলার বিভিন্ন গোরস্থানে যান এবং কবর জিয়ারত করেন।
যথাযোগ্য মর্যাদা ও আনন্দমুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের লক্ষ্যে এবারো ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করে রাজশাহী জেলা প্রশাসন। ঈদের দিন সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার, এতিমখানা, শিশুকেন্দ্র, শিশু পরিবার, শিশুপল্লী, শিশুসদন, ছোটমণি নিবাস, শিশু বিকাশ কেন্দ্র, সেফ হোম এবং অনুরূপ প্রতিষ্ঠানসমূহে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করে। এছাড়া এদিন সরকারি ভবন ও সড়কসমূহ বিশেষভাবে সজ্জিত করা হয়।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) জামিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, ঈদের জামাতকে ঘিরে এবার ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা স্থাপনসহ কঠোর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। কাউকে জায়নামাজ ছাড়া কোনো ব্যাগ, ভারী বস্তু বা অন্য কোনো দ্রব্যাদি বহন করতে দেওয়া হয়নি। এছাড়া ঈদুল আজহার নামাজকে ঘিরে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছিল। সেই সঙ্গে ঈদগাহ ও মসজিদগুলোর আশপাশের এলাকায় সকাল থেকেই পুলিশি টহল বাড়ানো হয়। যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়েই ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। কোথাও থেকে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। রাজশাহী নগরীতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই ঈদ উদযাপন হয় বলে জানান তিনি।

সর্বশেষ - অন্যান্য