বুধবার , ৬ আগস্ট ২০২৫ | ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কলাম/মতামত
  6. কৃষি
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. ধর্ম
  10. নামাজের সময়সূচি
  11. নারী ও শিশু
  12. প্রচ্ছদ
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ সংবাদ

নানা আয়োজনে রাবিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত

প্রতিবেদক
editor
আগস্ট ৬, ২০২৫ ১১:৩৩ অপরাহ্ণ

রাবি প্রতিবেদক :জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সকাল থেকেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রশাসন, সামাজিক সংগঠন, রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনের নানা আয়োজনে মুখরিত ছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ।

এদিন (৫ আগস্ট) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবন এলাকা থেকে এক বিজয় র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ছাত্র সংগঠনগুলো অংশ নেন।

র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের প্রধান সড়ক ধরে নগরীর তালাইমারিতে যায় ও সেখান থেকে ক্যাম্পাসে ফিরে এসে সংক্ষিপ্ত আলোচনার মাধ্যমে শেষ হয়। এসময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ্ হাসান নকীব বলেন, ২০২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় ঘটনা।

এর মধ্যদিয়ে অবসান হয়েছিল এক স্বৈরাচারী শাসনের, জনগণ মুক্তি পেয়েছিল নিপীড়ন-নির্যাতনের হাত থেকে। ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব ঐক্যের ফলে সম্ভব হয়েছিল এই সফল অভ্যুত্থান। এখন সময় হয়েছে আমাদের মধ্যে ঐক্য বজায় রেখে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। এছাড়া উপাচার্য অভ্যুত্থানে নিহতের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ও আহতদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।

এরপর বেলা ১২টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭টি হলে বিতরণ করা হয় বিজয় ফিস্ট। সেখানে ছিল পোলাও, রোস্ট, ডিম, ডাল।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে ‘জুলাই জাগরণ, নব উদ্যমে বিনির্মাণ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিজয় মিছিল করে ইসলামী ছাত্রশিবির রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা। মিছিলটি বিকাল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিনোদপুর থেকে শুরু হয়ে তালইমারিতে শেষ হয়।

এসময় শাখা ছাত্রশিবির সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, গতবছর এই ৫ই আগস্টে আমাদের রাজশাহী মহানগর ছাত্রশিবিরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল মিছিলের সামনে থেকে ছাত্রজনতাকে রক্ষা করার জন্য। একইভাবে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল মিছিলের পেছন থেকে যদি কেউ আক্রমণ করে, সেই আক্রমণ যেন ছাত্রজনতার গায়ে লাগার আগেই আমাদের গায়ে লাগে।

আমরা সেই দায়িত্ব পালন করেছি— তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো আমাদের ভাই শহীদ আলী রায়হান। ছাত্রজনতার গায়ে গুলি লাগার আগে তার কপালেই গুলি লেগেছে। তবে তোমরা বলো, আন্দোলনে ছাত্রশিবিরের কোনো ভূমিকা ছিল না। ভাইয়েরা, আমরা তোমাদের বিরোধী নই। আমরা একসাথেই আন্দোলন করেছি। কিন্তু যদি তোমরা আমাদের এই ভূমিকাকে অস্বীকার করো—তাহলে আমরা স্পষ্টভাবে বলে দিতে চাই, আমাদের আন্দোলনের সবচেয়ে বড় প্রমাণ হচ্ছেন শহীদ আলী রায়হান।

এদিন সন্ধ্যা ৭টায় জুলাই শহীদদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বলন ও শ্রদ্ধা জানিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) প্রেসক্লাব। এসময় প্রেসক্লাব সভাপতি মনির হোসেন মাহিন বলেন, আওয়ামী শাসনের দীর্ঘ ১৫ বছরে আমাদের বাকস্বাধীনতা কার্যত বিলুপ্ত ছিল। সামান্য কিছু বলতে গেলেই আমাদের মুখ শক্ত হাতে চেপে ধরা হতো। এই দমন-পীড়নের প্রতি জনগণের ক্ষোভের চূড়ান্ত বিস্ফোরণ ঘটে ৫ আগস্ট, যা ৩৬ জুলাই নামে পরিচিত। সাংবাদিকরা হলেন জাতির বিবেক, সাধারণ মানুষের আস্থার সর্বশেষ আশ্রয়স্থল। জুলাই বিপ্লবে সাংবাদিকদের ছিল অন্যতম ভূমিকা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের অন্যতম আস্থার জায়গা ছিল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব।

সর্বশেষ - অন্যান্য