শুক্রবার , ১ আগস্ট ২০২৫ | ২৫শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কলাম/মতামত
  6. কৃষি
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. ধর্ম
  10. নামাজের সময়সূচি
  11. নারী ও শিশু
  12. প্রচ্ছদ
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ সংবাদ

বিদ্যুৎ চুরির অভিযোগ, তদন্তে নেমেছে নেসকো

প্রতিবেদক
editor
আগস্ট ১, ২০২৫ ১২:০১ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীতে মেয়ের বাড়ি দখল করে চোরাই বিদ্যুৎ ব্যবহার ও নেসকো কর্মকর্তার স্বজনপ্রীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি পিএলসি (নেসকো)। গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পরে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ এই তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বিভাগ-৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী শাহাদৎ হোসেনকে। তাকে প্রধান করে গঠিত কমিটিকে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে নেসকোর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আব্দুর রশিদ গণমাধ্যমকে বলেন, সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নিয়েছি এবং অফিসিয়ালভাবে তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী শাহাদৎ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, আমাকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে কমিটিতে আমি আছি। যদিও এখনো কাগজপত্র হাতে পাইনি। তবে দ্রুত তদন্ত শুরু করে যথাসময়ে প্রতিবেদন দাখিল করব। কেউ যদি নিয়মবহির্ভূতভাবে মিটার সরিয়ে নেয় বা অনুমতি ছাড়া বসায়, তবে বিদ্যুৎ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্র জানায়, রাজশাহী নগরীর নতুন বিলশিমলা এলাকার হোল্ডিং নং ০২১৯/০১-এর তিনতলা ভবনের মালিকানা দাবি করেন মৌসুমী পারভীন। তার দাবি, ২০১৯ সালে জমি কিনে তিনি ভবন নির্মাণ করেন। কিন্তু ২০২৩ সালে তার বাবা মো. নাসিরুল ইসলাম দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে নিচতলায় বসবাস শুরু করেন এবং পরে মারধর করে মেয়ে ও জামাইকে বের করে দেন।

ঘটনার পর মৌসুমীর নামে নিবন্ধিত বৈধ মিটার (নং: ২৯৫১১৫) সরিয়ে সেখানে বসানো হয় নতুন মিটার (নং: ৬৭৫৮৯০), যার বিদ্যুৎ বিল আসে মাত্র ৮৪ টাকা। অভিযোগ অনুযায়ী, এই কাজটি নেসকোর মিটার রিডার বন্ধন করেছেন।

মৌসুমী পারভীন জানান, আমি যখন নেসকোর বিমানবন্দর শাখায় নির্বাহী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলমের কাছে অভিযোগ নিয়ে যাই, তিনি বিষয়টি গুরুত্ব না দিয়ে উল্টো অপমানজনক কথা বলেন। বলেন, ‘জাল দলিল বানানো যায়, হোল্ডিং টাকায় হয়-এ ধরনের মন্তব্য একজন সরকারি কর্মকর্তার কাছ থেকে কাম্য নয়।

প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলম অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করে গণমাধ্যমকে বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমরা নিয়ম অনুযায়ীই কাজ করেছি এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অন্যদিকে মিটার রিডার বন্ধন বলেন, নাসিরুল ইসলাম আমার মামা। তার অনুরোধে আমি মিটার পরিবর্তন করি। পরে জানতে পারি, জায়গা ও বাড়ি আসলে তার মেয়ের নামে। আমার ভুল হয়েছে, স্বীকার করছি।

ভুক্তভোগী মৌসুমী পারভীন রাজপাড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেন। যার নং: ৯৪, তারিখ ০২-০৬-২০২৫। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। স্থানীয়দের দাবি, এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

সর্বশেষ - অন্যান্য