নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহী আঞ্চলিক নির্বাচন ভবনে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি টীম। সোমবার দুপুরে দুদক কর্মকর্তারা এ ভবনের বোয়ালিয়া থানা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়, জেলা নির্বাচন অফিস ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার দফতরে গিয়ে বেশ কিছু তথ্য সংগ্রহ করেন। এ ছাড়া অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলেন তারা।
দুদকের তিন সদস্যের এই এনফোর্সমেন্ট টিমের নেতৃত্ব দেন সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমির হোসাইন। দুদক কমিশনে যাওয়া এক অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই অভিযান বলে জানান তিনি। আমির হোসাইন বলেন, ২২ জুন দুদক কমিশনে অভিযোগ করেন একজন ভুক্তভোগী।
এরই প্রেক্ষিতে এনফোর্সমেন্ট টিম গঠন করে অভিযান চালানো হয়।দুদকে করা অভিযোগে বলা হয়, নির্বাচন অফিসে বিভিন্ন সেবা নিতে গিয়ে দিনের পর দিন হয়রানির শিকার হতে হয়। সরকারি নির্ধারিত ফি দিয়ে দ্রুত কাজ হয় না। অতিরিক্ত টাকা দিলে দ্রুত কাজ হয়ে যায়। দুদক কর্মকর্তারা অভিযানে গিয়ে আবেদন গ্রহণ ও নিষ্পত্তির তথ্যাদি সংগ্রহ করেন।
নগরীর বোয়ালিয়া থানা নির্বাচন কর্মকর্তা মশিউর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, ‘আমাদের অফিসে সেবা নিতে এসে কেউ কোনো হয়রানির শিকার হন না। কারো কাছ থেকে টাকাও নেওয়া হয় না। তবে পাসপোর্ট করার সময় অযথা জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাইয়ের জন্য এখানে পাঠানো হয়। তখন ট্রেজারির বাইরে আউটসোর্সিংয়ে কাজ করা কর্মীরা দু-এক শ’ টাকা নেন। পাসপোর্ট অফিস নিজেই জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করতে পারে। এটা কেন যে আমাদের কাছে পাঠায়, সেটা বোধগম্য নয়।’
এ বিষয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোতাওয়াক্কিল রহমান গণমাধ্যমকে জানান, ‘দুদক কর্মকর্তারা যখন অফিসে এসেছিলেন, তখন আমি মিটিংয়ে ছিলাম। এ বিষয়ে বিস্তারিত আমি জানাতে পারব না।’
দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমির হোসাইন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘অভিযোগের প্রেক্ষিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে দুদক কমিশনে প্রতিবেদন পাঠাবে।’


















