সোমবার , ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কলাম/মতামত
  6. কৃষি
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. ধর্ম
  10. নামাজের সময়সূচি
  11. নারী ও শিশু
  12. প্রচ্ছদ
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ সংবাদ

কমপ্লিট শাটডাউনে রামেক হাসপাতালে রোগীদের দুর্ভোগ

প্রতিবেদক
editor
ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৫ ৩:৫০ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি অব্যাহত রয়েছে। পাঁচ দফা দাবিতে রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা থেকে পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি পালন করছেন তারা। এদিকে চিকিৎসকদের কমপ্লিট শাটডাউনের প্রথম দিনই সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন রোগী ও স্বজনরা।

ইন্টার্ন চিকিৎসকরা জানান, তাদের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- এমবিবিএস বিডিএস ব্যতিত কেউ আর ডাক্তার শব্দ ব্যবহার করতে পারবেন না, বিএমডিসির বিরুদ্ধে করা রিট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহার করতে হবে, আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ওটিসি ড্রাগ লিস্ট আপডেট করতে হবে, স্বাস্থ্য খাতে চিকিৎসকের সংকট নিরসন করতে হবে, এমটিএস ও নিম্নমানের মেডিকেল কলেজ বন্ধ করে দিতে হবে এবং চিকিৎসক সুরক্ষা আইন বাস্তবায়ন করতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে বলেও জানান ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

এছাড়া ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দাবির সাথে একাত্মতা জানিয়ে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করেছেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরাও।
কলেজের সামনে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করলে একাত্মতা ঘোষণা করে এতে তারাও অংশ নেন। মানববন্ধন কর্মসূচি ছাড়াও বিক্ষোভ মিছিল করেন ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা বলেন, তাদের ঘোষিত দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মবিরতি অব্যাহত রাখা হবে।
এতে রামেক হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের আহ্বায়ক ডা. এটিএম আখেরুজ্জামান ও ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব ডা. ইফতেখার রসুল শিমুল প্রমুখ বক্তব্য দেন।

এদিকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতিতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। তারা বলছেন, ডাক্তাররা তাদের আন্দোলন করবেন ওপর মহলে। কিন্তু এভাবে চিকিৎসকরা কর্মবিরতি পালন করলে হাসপাতালের মতো একটি জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠানের রোগীরা কোথায় যাবে? চিকিৎসা না পেলে প্রতিনিয়তই অনেক রোগী মৃত্যু ঝুঁকিতে পড়বে।ওয়ার্ডগুলোতে কোনো ইন্টার্ন চিকিৎসক নেই। এছাড়া ওয়ার্ডে দেখা পাওয়া যাচ্ছে না সিনিয়র চিকিৎসকদেরও।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক এফএম শামীম আহম্মদ গণমাধ্যমকে জানান, ওয়ার্ডগুলোতে চিকিৎসার কোনো সমস্যা হচ্ছে না। কারণ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসক ২৪০ জন। তারা না থাকায় মিড লেভেলের চিকিৎসক ও বেসরকারি অনারারি মেডিকেল কর্মকর্তাদের দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এতে তেমন সমস্যা হচ্ছে না বলে জানান তিনি ।

সর্বশেষ - অন্যান্য