শুক্রবার , ২০ ডিসেম্বর ২০২৪ | ২৩শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কলাম/মতামত
  6. কৃষি
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. ধর্ম
  10. নামাজের সময়সূচি
  11. নারী ও শিশু
  12. প্রচ্ছদ
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ সংবাদ

রেকর্ড গড়া জয়ে উইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ

প্রতিবেদক
editor
ডিসেম্বর ২০, ২০২৪ ১১:০৮ অপরাহ্ণ

স্পোর্টস ডেস্ক : জাকের আলির ক্যারিয়ার সেরা ঝড়ো ইনিংসে বড় সংগ্রহ পেল দল। পরে বল হাতে জ্বলে উঠলেন তাসকিন আহমেদ, শেখ মেহেদি হাসান, রিশাদ হোসেনরা। শেষ টি-টোয়েন্টিতেও বিশাল ব্যবধানে জিতে দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করে ছাড়ল বাংলাদেশও। কিংস্টনে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ক্যারিবীয়দের ৮০ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। টি-টোয়েন্টিতে আইসিসি পূর্ণ সদস্য দেশের বিপক্ষে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয় এটি। গত বছর মার্চে চট্টগ্রামে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৭৭ রানে জিতেছিল বাংলাদেশ। টেস্ট খেলুড়ে কোনো দেশের বিপক্ষে সেটাই ছিল সবচেয়ে বড় জয়।

প্রথম দুই ম্যাচ জিতে আগেই ওয়েস্ট ইন্ডিজে প্রথমবার টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছিল লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন দলটি। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে এই প্রথম ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ধবলধোলাইয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ ক্রিকেট। টেস্ট সিরিজ ১-১ ব্যবধানে ড্রয়ের পর তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ধবলধোলাই হয়েছিল বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি সিরিজে সেই শোধটা তুলে নিল টাইগাররা। নির্ধারিত ২০ ওভারে বাংলাদেশ দাঁড় করায় ৭ উইকেটে ১৮৯ রান। ৪১ বলে ৩ চার ও ৬ ছক্কায় অপরাজিত ৭২ রান করেন জাকের। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১ বলে ৩৯ রান পারভেজের। ২৩ বলে ২৯ রান করেন মিরাজ। জবাবে ১৬.৪ ওভারে ১০৯ রানে গুটিয়ে যায় শক্তিশালী ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং লাইনআপ। তিন উইকেট নেন রিশাদ। দুটি করে নেন মেহেদি ও তাসকিন।

নিয়মিত অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, ব্যাটিং ও বোলিংয়ের বড় দুই ভরসা তাওহিদ হৃদয় ও মুস্তাফিজুর রহমানকে ছাড়া সিরিজটি খেলেছে বাংলাদেশ। ওয়ানডেতে হোয়াইটওয়াশড হওয়ার পর দল ছিল কোণঠাসা। সেখান থেকে বিস্ফোরক ব্যাটসম্যানে ঠাসা দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের হোয়াইটওয়াশ; সত্যিকার অর্থেই দারুণ কিছু। বল হাতেও শুরুটা দুর্দান্ত হয় বাংলাদেশের। ২ ওভারে ৭ রানে উইন্ডিজ হারায় ২ উইকেট। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ব্রান্ডন কিংকে এলবিডব্লিউ করেন তাসকিন আহমেদ।

পরের ওভারে অভিষিক্ত জাস্টিন গ্রেভসকে লং অনে ক্যাচ বানান শেখ মেহেদি হাসান। এরপর জুটি গড়ার চেষ্টা করে উইন্ডিজ। এই জুটিও ভাঙেন সিরিজে দারুণ ছন্দে থাকা মেহেদি। নিচু হয়ে আসা বলে গায়ের জোরে লেগে ঘুরানোর চেষ্টায় বোল্ড হয়ে যান পুরান। ভাঙে ২৪ বল স্থায়ী ৩৮ রানের জুটি। ১০ বলে দুই চার ও এক ছক্কায় ১৫ রান করেন পুরান। রস্টন চেইসকে রানের খাতা খুলতে দেননি হাসান মাহমুদ। একই ওভারে ুরিশাদ হোসেন সরাসরি থ্রোয়ে রান আউট জনসন চার্লস। ১৮ বলে চারটি চারে ২৩ রান করেন এই ওপেনার। খানিক পর রিশাদের বলে উইকেটের পিছনে ক্যাচ দেন শুরু থেকেই নড়বড়ে থাকা রভম্যান পাওয়েল। ১২ বলে অধিনায়ক করেন ২ রান। ৯.৫ ওভারে ৬০ রানে তাকেও হারিয়ে মহাবিপদে পড়ে স্বাগতিকরা।

রোমারিও শেফার্ড ও গুডাকেশ মোটির ২৬ বলে ৩৫ রানের জুটি জয়ের সম্ভাবনা জাগাতে পারেনি। মোটিকে লং অফে ক্যাচ বানিয়ে জুটি ভাঙেন রিশাদ। একই ওভারে আলজারি জোসেফকে এক্সট্রা কাভাবে হাসানের হাতে ক্যাচ বানান এই লেগ স্পিনার। পরের ওভারে শেষ বাধা শেফার্ডকে শিকারে পরিণত করেন তানজিম হাসান সাকিব। ২৭ বলে ৩ ছক্কা ও ১ চারে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন শেফার্ড। এরপর ছিল বাংলাদেশের উৎসব শুরুর অপেক্ষা। পরের ওভারে ওবি ম্যাককয়কে বোল্ড করে সেই উপলক্ষ্য এনে দেন তাসকিন।

এর আগে টসে জিতে ব্যাট বেছে নেওয়া বাংলাদেশ বড় সংগ্রহ পায় মূলত জাকেরের শেষের ঝড়ে। শেষ ১০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১১৩ রান তোলে বাংলাদেশ। এর মধ্যে জাকেরের অবদান ৩৫ বলে ৬৮। ১৫ ওভারে ছিল ৫ উইকেটে ১১৪ রান। এরপর শুরু হয় জকের শো। শেষ ওভারে ৩ ছক্কায় তোলেন ২৫ রান। বাংলাদেশের ইনিংসে ছক্কা ১০টি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ। চলতি সিরিজেই ৯ ছক্কা ছিল আগের সর্বোচ্চ। সূত্র: ইনকিলাব

সর্বশেষ - অন্যান্য